সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অল্ট জে বি এ

 বড়ো মেয়ে বললো, "আমায় কিছু স্টক কিনে দিয়ো বাবা।"

"আচ্ছা, তাই হবে না হয়।" বললো বাবা।

মেজো মেয়ে বললো, "আমার কিন্তু মেটাল চাই - সিলভার, গোল্ড, প্লাটিনাম - যা হয় কিছু।"

"আচ্ছা, তাই না হয় হবে'খণ।" বাবা বললো।

ছোট মেয়ে কিছু চায় নি এ অব্দি, "তোমার কি চাই মামনি?" তার দিকে চেয়ে জিজ্ঞেস করেন বাবা।

"আমার কিছু চাই না বাবা, তোমার ইনভেস্টমেন্টস যাতে সেফ থাকে, যেভাবে ঠিকঠাক রিটার্ন পাও, ব্যাস তাই দেখো। তা বাদে আমার কিছু চাই না।"

"সে বললে কি হয় মামনি? দিদির যেমন যেমন সব হুকুম করলো, তোমারও তো কিছু দাবি দাওয়া করতে হয় - নইলে হবে কেনো?"

" না বাবা, আমার সত্যিই কিছু চাই না, তুমি ঠিক থাকলেই আমি খুশি!"

"সেতো আমার ভাগ্যি মামনি, তাহলেও নতুন ফাইন্যান্সিয়াল ইয়ার বলে কথা - মন থেকে বলছি, যা চাও - সাধ্যে থাকলে তোমার হয়ে ইনভেস্ট করে দেবো।"

"আচ্ছা বাবা, এত করে বলছো যখন - যদি পাও তো আমাকে নাহয় 'আলতা জবা' কিনে দিয়ো।"

বাবা একটু চমকে যান, "আলতা জবা?"

"হ্যা বাবা,  এনএফটি," ছোট মেয়ে বলে, "কিনতেই হবে এমন নয়, কিন্তু যদি পাও ..."

ছোট মেয়ের অদ্ভুত আবদারে বাবা কিছুই বলতে পারেন না।

....

অল্ট জে বি এ - ক্রিয়েটর এনোনিমাস৭৮, ওনার বিস্ট২৩, নট ফর সেল।

বাবা চিন্তায় পড়ে গেলো।

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ভৌত-দৈব-সামাজিক আখ্যান

'উরে ব্বাপরে' বলে বড় বউ দরজা ধাক্কিয়ে এক লাফে ঠাকুর ঘরের বাইরে ছিটকে চলে এলো! --- বেশ কমাস আগে … মেজবৌ বাপের বাড়ি থেকে ফেরবার পর যেমন যেনো চুপচাপ হয়ে গিয়েছিল। কারুর সাথে কথা বার্তা নেই, সংসারের কাজে মন নেই, এমনকি ভাদ্রবৌ বা দেওর বৌদের সাথেও কোনো ঝগড়া ঝাটি নেই! তার বেশ কমাস পর … সেজবৌ মেলা থেকে ফেরবার পর সেও কেমন চুপচাপ হয়ে গেলো। মেজবৌদির মতই তার বেশ কদিন পর ছোটবৌ ও সেও তার বন্ধু বান্ধবীদের সাথে দীঘা বেড়াতে গিয়েছিলো - সত্যি বলতে তাকে তার বন্ধুরা এতই ভালোবাসতো যে তাকে কোনো খরচই করতে হয় নি, বরং ফেরবার পর বন্ধুরা তাকে বরং কিছুটা হাতখরচ ও দিয়েছিল, কিন্তু … দীঘা থেকে ফেরবার পর ছোট বউয়েরও কেমন পরিবর্তন হয়ে গেলো, সেও মেজ আর সেজো বউয়ের মত চুপচাপ হয়ে গেলো! --- বড় বউ সব দেখে, কিন্তু তার বুক ফাটে তো মুখ ফোটে না।  কিন্তু … --- এক পূর্ণিমায় মেজ ছেলে আর তার বউ বাড়ির লাফ দিয়ে পাঁচিল টপকে পালালো! কি তাদের রূপ! কান দুটো খাঁড়া খাঁড়া হয়ে আছে, যতদূর দেখা যায় সারা গায়ে লোম আর চোখগুলো যেনো আগুনের গোলা! ছোট বউয়ের কজন বন্ধু এলো। আগে ছোট ভাই এসব মেলামেশায় কিছুটা আপত্তি করতো, কিন্তু এবা...

সি৯এইচ১৩এন ও৩

- এভরিথিং ইস ওকে, বাট আই আফ্রেড দেয়ার ইজ সামথিং মিসিং| - মিসিং হোয়াট? ক্যান ইউ এক্সপ্লেন? - ওয়েল, আই থিংক দা কভার ল্যাকস দা প্যাশন ইট ডিমান্ডেড – ইউ নো হোয়াট আই মিন| - হুমম| আই আন্ডারস্ট্যান্ড| - সো উইল ইউ প্লিজ রিভিউ দিস ওয়ান্স? - ওকে, লেট মে ট্রাই| - থ্যাঙ্ক ইউ সো মাচ – এন্ড সো সরি ফর বিয়িং সো চুজি| - নো প্রবলেম এট অল| - থ্যাঙ্কস| বাই| - বাই – টক টু ইউ সুন :)

প্রজন্ম

“হেল্লো-ও-ও-ও!” অনেক সময় অপেক্ষা করলো লোকটা, দূর থেকে যা দেখে মনে হচ্ছে সামনের ঝুপড়িটায় কেউ বা কারা বাস করে| সারা উপত্যকা ঘুরে আগন্তুকের চিত্কার প্রতিধ্বনিত হয়ে ফের তার কাছেই ফিরে এলো| কিন্তু ঝুপড়িটার ভিতর থেকে কোনো সাড়া এলো না| ২০৩২এ মানুষ খুঁজে পাওয়া সেরকম সহজ কাজ নয়, ২০২৭এর তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধে পারমানবিক অস্ত্রের ব্যবহারের ফলে মানব সভ্যতা তো বটেই, তার সাথে সমস্ত প্রাণীজগতই একরকম বিলুপ্তপ্রায়| যুদ্ধের প্রাবল্যে এবং তার দরুন উত্পন্ন কৃত্রিম প্রাকৃতিক দুর্যোগে পৃথিবীর পরিবেশের ও প্রকৃতির নানা অদলবদল ঘটেছে| মানুষ যে নেই তা বলা চলে না, ঘটনাক্রমে তেজস্ক্রিয়তা এড়িয়ে যাওয়ার সৌভাগ্য যাদের ঘটেছে, তারা এখনো টিঁকে আছে কোথাও কোথাও| এলুমিনিয়ামের পাইপ, টারপোলিন, পিভিসি বোর্ড আর এটাসেটা নানা হাবিজাবি জিনিষ দিয়ে বানানো ঝুপড়িটাকে দেখে মনে হচ্ছে এটা যুদ্ধপরবর্তী কালে সেরকমই কোনো টিকে থাকা মানুষের বাসস্থান| লোকটা আবার হাঁক দিলে, “কেউ আছেন?” এবারও কোনো উত্তর এলো না| লোকটা খুব খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে ঝুপড়িটা ও তার চারদিক দেখছিলো| একটা টিলা মতো জায়গায়, মাটি থেকে প্রায় দোতলা উঁচুতে এক ঘরের মতো একটা ব্যবস্থা,...