সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

এটা কেরে?

নমস্কার - আমি সুমিত রায়|

নিবাস পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা'র বসিরহাট নামক একটি ছোট শহরে| পেশা গ্রাফিক ডিজাইনিং ও ডিজিটাল শিল্পকলা| সখ - শেখাশিখি ও মাঝে মাঝে কিছু লেখালিখি|

কেন এই ব্লগ? সহজ উত্তর : নিজের ঢাক নিজে পেটানো| আমার মতো মফস্বলী নগন্য বাঙালির পক্ষে কাগজে বা ম্যাগাজিনে ঠাই পাওয়া দুস্কর - তাই নিজেই নিজের হাবিজাবি ওয়েব-মাধ্যমে আপনাদের কাছে নিবেদন করছি|

আশা করি পড়ে মজা পাবেন  - আর কমেন্ট দিয়ে বা শেয়ার করে আমাকে উত্সাহিত করবেন|

মন্তব্যসমূহ

  1. আমার ভাষায় বলি- বইটা বের করে মাথার বালিশের পাশেই রাখলাম । উদ্দেশ্য একটাই, যখন খুশী খোলা যাবে।

    উত্তরমুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

কেন বন্ধুকৃত্য ভয়ঙ্কর

অনেককাল পরে কদিন আগে আমার এক পুরনো বন্ধু ফোন করলো| সেদিন সকালেই শুনেছিলাম যে তার বাবা মারা গিয়েছেন, তার ফোন পেয়ে প্রথমেই তাকে সমবেদনা জানালাম - আর তার সাথে আশ্চর্য্যও হলাম যে সে এতদিন বাদে এরকম এক পরিস্থিতিতে কেন আমাকে যোগাযোগ করলো|

আমার পড়া প্রথম ইন্দ্রজাল কমিকস

আমি অনেক ছোটবেলায় লিখতে পড়তে শিখি - যখন আমার চার-পাঁচ বছর বয়স সে সময়ে আমি নিজের চেষ্টা আর ইচ্ছেতেই একাএকাই আমার পরিচিত শিশুপাঠ্য বইপত্তর পড়তে পারতাম এবং সবথেকে বড় কথা হলো ব্যাট-বলের বদলে সেই বই গুলিই আমার কাছে অনেক প্রিয় ছিল| বাবা'র বদলি'র চাকরি ছিল, কাজেই ছ'বছর বয়সে যখন আমি ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হই, থিতু হওয়ার প্রয়োজনে আমি আর আমার মা তখন আমাদের এই শহরেই পাকাপাকি ভাবে বাস করতে শুরু করি| বাবা থাকতেন দুরে - বিহারের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাঁধ-বাঁধা'র দায়িত্বে| বাড়ি ফিরতেন পনেরো দিনে বা মাসে একবার করে| অন্যান্য শিশুদের মতন আমার বাবা ফেরার সময়ে কোনো উপহারের চাহিদা থাকতো না - বাবা নিজে যে সশরীরে আমাদের কাছে আসছেন - সেটারই গুরুত্ব ছিল সবথেকে বেশি|

পিতার আশির্বাদ

ফেলুদা নিয়ে ইদানিং কিসব ঝঞ্ঝাট হচ্ছে দেখলাম, ‘কিউ-কিউ’ খিস্তিও করেছে বলে বাজার বেশ গরম|