সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

এটা কেরে?

নমস্কার - আমি সুমিত রায়|

নিবাস পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা'র বসিরহাট নামক একটি ছোট শহরে| পেশা গ্রাফিক ডিজাইনিং ও ডিজিটাল শিল্পকলা| সখ - শেখাশিখি ও মাঝে মাঝে কিছু লেখালিখি|

কেন এই ব্লগ? সহজ উত্তর : নিজের ঢাক নিজে পেটানো| আমার মতো মফস্বলী নগন্য বাঙালির পক্ষে কাগজে বা ম্যাগাজিনে ঠাই পাওয়া দুস্কর - তাই নিজেই নিজের হাবিজাবি ওয়েব-মাধ্যমে আপনাদের কাছে নিবেদন করছি|

আশা করি পড়ে মজা পাবেন  - আর কমেন্ট দিয়ে বা শেয়ার করে আমাকে উত্সাহিত করবেন|

মন্তব্যসমূহ

  1. আমার ভাষায় বলি- বইটা বের করে মাথার বালিশের পাশেই রাখলাম । উদ্দেশ্য একটাই, যখন খুশী খোলা যাবে।

    উত্তরমুছুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সি৯এইচ১৩এন ও৩

- এভরিথিং ইস ওকে, বাট আই আফ্রেড দেয়ার ইজ সামথিং মিসিং| - মিসিং হোয়াট? ক্যান ইউ এক্সপ্লেন? - ওয়েল, আই থিংক দা কভার ল্যাকস দা প্যাশন ইট ডিমান্ডেড – ইউ নো হোয়াট আই মিন| - হুমম| আই আন্ডারস্ট্যান্ড| - সো উইল ইউ প্লিজ রিভিউ দিস ওয়ান্স? - ওকে, লেট মে ট্রাই| - থ্যাঙ্ক ইউ সো মাচ – এন্ড সো সরি ফর বিয়িং সো চুজি| - নো প্রবলেম এট অল| - থ্যাঙ্কস| বাই| - বাই – টক টু ইউ সুন :)

অল্ট জে বি এ

 বড়ো মেয়ে বললো, "আমায় কিছু স্টক কিনে দিয়ো বাবা।" "আচ্ছা, তাই হবে না হয়।" বললো বাবা। মেজো মেয়ে বললো, "আমার কিন্তু মেটাল চাই - সিলভার, গোল্ড, প্লাটিনাম - যা হয় কিছু।" "আচ্ছা, তাই না হয় হবে'খণ।" বাবা বললো। ছোট মেয়ে কিছু চায় নি এ অব্দি, "তোমার কি চাই মামনি?" তার দিকে চেয়ে জিজ্ঞেস করেন বাবা। "আমার কিছু চাই না বাবা, তোমার ইনভেস্টমেন্টস যাতে সেফ থাকে, যেভাবে ঠিকঠাক রিটার্ন পাও, ব্যাস তাই দেখো। তা বাদে আমার কিছু চাই না।" "সে বললে কি হয় মামনি? দিদির যেমন যেমন সব হুকুম করলো, তোমারও তো কিছু দাবি দাওয়া করতে হয় - নইলে হবে কেনো?" " না বাবা, আমার সত্যিই কিছু চাই না, তুমি ঠিক থাকলেই আমি খুশি!" "সেতো আমার ভাগ্যি মামনি, তাহলেও নতুন ফাইন্যান্সিয়াল ইয়ার বলে কথা - মন থেকে বলছি, যা চাও - সাধ্যে থাকলে তোমার হয়ে ইনভেস্ট করে দেবো।" "আচ্ছা বাবা, এত করে বলছো যখন - যদি পাও তো আমাকে নাহয় 'আলতা জবা' কিনে দিয়ো।" বাবা একটু চমকে যান, "আলতা জবা?" "হ্যা বাবা,  এনএফটি," ছো...

ষষ্ঠ গোয়েন্দা

আমি তখন অনেক ছোট - ক্লাস ওয়ানে পড়ি| তখনো আমাদের নিজেদের বাড়ি হয়ে ওঠেনি - থাকতাম বসিরহাট হাই স্কুল মাঠের পাশে এক ভাড়া-বাড়িতে| বাবা চাকরিসূত্রে বিহারের চান্দিল বলে এক জায়গায়| পক্ষান্তে-মাসান্তে একেকবার ফিরতেন আর তখন আমাদের ভারী মজা| সেরকম একবার বাবা যখন এলেন, তখন শীতকাল, আর সবাই মিলে একদিন চলে এলাম কলকাতা বেড়াতে - জাদুঘর দেখা হয়নি, চিড়িয়াখানা, তারামণ্ডল দেখে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ঘুরে তারপরে বাড়ি| সেই আমার প্রথম কলকাতা ভ্রমণ| চাকরি সুত্রে পরবর্ত্তীকালে কলকাতায় এসেছি, থেকেছি, সেবারের মতো সেই চমতকার সুন্দর রংচঙে শহরটা খুঁজতে চেয়েছি, কিন্তু হতাশ হয়েছি - সেরকমটা আর দেখতে পাই নি|