সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

স্বর্গীয় শ্লীলতাহানি

বুঝতে পারছিলাম না পি কে'র প্রদর্শন নিয়ে এরকম ঝঞ্ঝাট কেন? সন্দিগ্ধ হয়ে দেখতে বসে বুঝলাম যে যারা বিরোধ করছেন তারা যথার্থ করছেন, ধ্বজাদারীদের সাথে সহমত প্রদর্শন করি|
বইতে-ফইতে পড়েছি ভগবান 'নিজের অবয়বে' আমাদের বানিয়েছেন, তবে ছেলেবেলায় মনে হত এবং বড়বেলায় সন্দেহ হত যে আমাদের দেবতারা এরকম আউটদেতেট কেন? প্যান্ট-শার্টের বদলে এখনো ধুতি-উড়নি দিয়ে কাজ চালাচ্ছেন, বন্দুক পিস্তলের বদলে এখনো তীর ধনুক - ভাবতাম ওনাদের দায়িত্ব কি কেবল ব্রোঞ্জযুগেই সীমাবদ্ধ ছিল? লজিক নয়, মানুষ ম্যাজিক ভালোবাসে, আমি মুর্খ মানুষ - তাই এরকম সন্দেহ মনে স্থান দেওয়াও পাপ!

তবে যেটা ধারণা ঈশ্বর 'আপন অবয়বে' মানুষ গড়লে মানুষও তার সৃষ্টিকর্তার উপর কৃতজ্ঞতাবশত তাকে নিজের পরিচ্ছদে আবৃত করে তার সেই স্বাভাবিক বিশাল নগ্নতাকে সহনীয় করে নিয়েছে| সেই সব কাপড় চোপড় ছাড়িয়ে তাকে ফের ল্যাংটা করে ফেলা - সেতো স্বর্গীয় শ্লীলতাহানি! ভগবান সর্বংসহ, ওনার এতে কিছু যায় আসে না বটে তবে তার যারা আব্রুতার রক্ষক - তাদের কাছে এ ইয়ার্কির কোনো ক্ষমা নেই!

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আমার পড়া প্রথম ইন্দ্রজাল কমিকস

আমি অনেক ছোটবেলায় লিখতে পড়তে শিখি - যখন আমার চার-পাঁচ বছর বয়স সে সময়ে আমি নিজের চেষ্টা আর ইচ্ছেতেই একাএকাই আমার পরিচিত শিশুপাঠ্য বইপত্তর পড়তে পারতাম এবং সবথেকে বড় কথা হলো ব্যাট-বলের বদলে সেই বই গুলিই আমার কাছে অনেক প্রিয় ছিল| বাবা'র বদলি'র চাকরি ছিল, কাজেই ছ'বছর বয়সে যখন আমি ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হই, থিতু হওয়ার প্রয়োজনে আমি আর আমার মা তখন আমাদের এই শহরেই পাকাপাকি ভাবে বাস করতে শুরু করি| বাবা থাকতেন দুরে - বিহারের এক প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাঁধ-বাঁধা'র দায়িত্বে| বাড়ি ফিরতেন পনেরো দিনে বা মাসে একবার করে| অন্যান্য শিশুদের মতন আমার বাবা ফেরার সময়ে কোনো উপহারের চাহিদা থাকতো না - বাবা নিজে যে সশরীরে আমাদের কাছে আসছেন - সেটারই গুরুত্ব ছিল সবথেকে বেশি|

উত্তরাধিকার ওয়েব সাহিত্য পুরস্কার

একটু নয়, প্রচুর দেরি করেই – ইয়ে কি বলে আবার একটু ঢাক পেটাপিটি করি| তবে সেদিক থেকে ধরতে গেলে ভবিষ্যতে আমার ডিজে হওয়ার রাস্তাও খুলছে হয়তো পরোক্ষ ভাবে| আসল সাফাই হলো ‘আমার মতো’ যারা কাজ করেন, তারা হয়তো উপলব্ধি করেছেন যে এপ্রিল মে থেকে কাজের স্বাভাবিক চাপ শুরু হয় আর তা বাদে যেহেতু ব্যক্তিগত ভাবে আমার পুরস্কার-টুরস্কার পাওয়ার সেরকম অভ্যাস নেই, সেই দিক থেকে - তবে ঘটনা, একবছরে পরপর দুবার পুরস্কার প্রাপ্তি আর তার সাথে ইদানীন গপ্পো লেখারও ঝোঁক বেড়েছে খানিক, কাজেই সবে মিলে ... যাকগে! জ্ঞানীগুনী যারাই আছেন তাদের কাছে ব্যাখ্যা করার দরকার না হলেও, সাধারণ মানুষ হয়তো কৌতুহলী হবেন যে এই উত্তরাধিকার ওয়েব সাহিত্যের ব্যাপারটা কি! দেখুন, মানুষ একটি অদ্ভুত জন্তু – সেভাবে বলতে গেলে এদের রাম-টু-রম রেশিও অন্যান্য জন্তুর তুলনায় অনেক বেশি মানে একোয়ারড মেমরির থেকে প্রিন্টেড মেমরি অনেক কম| জীবন বিজ্ঞান সম্পর্কে ধারণা খুবই কম, তাও আমার সেকেন্ডারি ব্রেন, মানে ইন্টারনেট থেকে যা জানা, মানব মস্তিষ্কের ডানদিক আমাদের সাথে বেজায় মজার মজার খেলা খেলে! কল্পনা, সৃজনশীলতা – এগুলি অন্য জন্তুদের ভিতর সেভাবে প্রকট কি? হয়ত...

জাতিস্বর

জাতিস্বর দেখলাম - আশ্চর্যের বিষয় যে স্কিপ করে করে না দেখে একটানা প্রথম থেকে শেষ অব্দি দেখলাম|