সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

স্বর্গীয় শ্লীলতাহানি

বুঝতে পারছিলাম না পি কে'র প্রদর্শন নিয়ে এরকম ঝঞ্ঝাট কেন? সন্দিগ্ধ হয়ে দেখতে বসে বুঝলাম যে যারা বিরোধ করছেন তারা যথার্থ করছেন, ধ্বজাদারীদের সাথে সহমত প্রদর্শন করি|
বইতে-ফইতে পড়েছি ভগবান 'নিজের অবয়বে' আমাদের বানিয়েছেন, তবে ছেলেবেলায় মনে হত এবং বড়বেলায় সন্দেহ হত যে আমাদের দেবতারা এরকম আউটদেতেট কেন? প্যান্ট-শার্টের বদলে এখনো ধুতি-উড়নি দিয়ে কাজ চালাচ্ছেন, বন্দুক পিস্তলের বদলে এখনো তীর ধনুক - ভাবতাম ওনাদের দায়িত্ব কি কেবল ব্রোঞ্জযুগেই সীমাবদ্ধ ছিল? লজিক নয়, মানুষ ম্যাজিক ভালোবাসে, আমি মুর্খ মানুষ - তাই এরকম সন্দেহ মনে স্থান দেওয়াও পাপ!

তবে যেটা ধারণা ঈশ্বর 'আপন অবয়বে' মানুষ গড়লে মানুষও তার সৃষ্টিকর্তার উপর কৃতজ্ঞতাবশত তাকে নিজের পরিচ্ছদে আবৃত করে তার সেই স্বাভাবিক বিশাল নগ্নতাকে সহনীয় করে নিয়েছে| সেই সব কাপড় চোপড় ছাড়িয়ে তাকে ফের ল্যাংটা করে ফেলা - সেতো স্বর্গীয় শ্লীলতাহানি! ভগবান সর্বংসহ, ওনার এতে কিছু যায় আসে না বটে তবে তার যারা আব্রুতার রক্ষক - তাদের কাছে এ ইয়ার্কির কোনো ক্ষমা নেই!

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

সি৯এইচ১৩এন ও৩

- এভরিথিং ইস ওকে, বাট আই আফ্রেড দেয়ার ইজ সামথিং মিসিং| - মিসিং হোয়াট? ক্যান ইউ এক্সপ্লেন? - ওয়েল, আই থিংক দা কভার ল্যাকস দা প্যাশন ইট ডিমান্ডেড – ইউ নো হোয়াট আই মিন| - হুমম| আই আন্ডারস্ট্যান্ড| - সো উইল ইউ প্লিজ রিভিউ দিস ওয়ান্স? - ওকে, লেট মে ট্রাই| - থ্যাঙ্ক ইউ সো মাচ – এন্ড সো সরি ফর বিয়িং সো চুজি| - নো প্রবলেম এট অল| - থ্যাঙ্কস| বাই| - বাই – টক টু ইউ সুন :)

যুদ্দুউউউ

জনগণ, অন্যভাবে নেবেন না, অনেক দিন আগের একটা অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে চাই| তখন আমি বেসব্রিজে চাকরি করি, দমদমে ভাড়ায় থাকি - একদিন শেয়ালদা হয়ে ফেরবার পথে মহা শোরগোল! সাবওয়েতে আগুন!! মুভিখোর সাধারণ বাঙালির মতোই আমারও হিরোয়িক অবসেশন ছেলেবেলা থেকেই - ব্যাংকে গেলে ভাবি ডাকাত পড়লে বেশ হয় - সবাইকে বাঁচিয়ে বুকে গুলি খেয়ে হাসতে হাসতে মরবো - সবাই হাত তালি দেবে| ট্রেনে উঠলে ভাবি এক্সিডেন্ট হলে বেশ হয় - সবাইকে বাঁচিয়ে বুকে রড ঢুকে হাসতে হাসতে মরবো - সবাই হাত তালি দেবে| এমনকি স্কুলে ঢুকলেও ভাবি একটা ভূমিকম্প হলে বেশ হয় - সবাইকে বাঁচিয়ে মাথায় চাংগরের বাড়ি খেয়ে হাসতে হাসতে মরবো - সবাই হাত তালি দেবে| এবং পরদিন খবরের কাগজে নাম উঠবে - ব্যাস মানব জনম সার্থক| কিন্তু এমনই কপাল যে পুকুরের পাশ দিয়ে গেলেও একটা ছোটখাট ছেলে পিলে ডুবতে দেখি না যে তাকে সঙ্গে সঙ্গে ঝাঁপ দিয়ে বাঁচাবো - কি দুক্কু! আবার ওদিকে যেসব জিনিস সামনেই দেখি সেসব করতেও ইতস্তত করি! আমার এক বন্ধুর অনুরোধে একটি মেয়েকে একটি রাতের জন্যে আমাদের বাড়ি আশ্রয় দিতে পারি নি, মাঝরাতে বাইরে তার করুন আবেদন বালিশে আড়াল করার চেষ্টা করেছি - জানি না সে কি ছিল...

বন্দী

ঝিঁ-ই-ই-ই আওয়াজ করে কোথাও একটা ঝিঁঝিপোকা একটানা ডেকে যাচ্ছে| প্রথমে আওয়াজটা সেরকম প্রকট না হলেও আস্তে আস্তে সেটার তীব্রতা বিরক্তিকর হয়ে উঠলে রণব্রত চোখ খুললো| চোখ খুলেও সে আলো-আঁধারির পার্থক্য বুঝতে পারলো না| কয়েক মুহূর্ত স্থির হয়ে বোঝবার চেষ্টা করলো সে কোথায় আছে| তার মুখের উপর কাপড় জাতীয় কিছু লেপ্টে আছে – যেটার কারণে তার নিঃস্বাস নিতে অসুবিধা হচ্ছে| ঘাড় ঝাঁকি দিয়ে সেটা ফেলে দেবার চেষ্টা করতে গিয়ে ঝিঁঝি পোকাটা আরো জোরে ডেকে উঠলো| রণব্রত বুঝলো যে আসলে ঝিঁঝিপোকাটা আর কোথাও না, তার মাথার ভিতরেই বসে আছে| জ্ঞান ফেরার পরে এবার আস্তে আস্তে তার স্বাভাবিক বোধ ফিরে আসছে| তার হাত পায়ের সাড় ফিরলে সে অনুভব করলো যে তাকে বেঁধে রাখা হয়েছে| এরপরেই তাকে প্রবল আতঙ্ক চেপে ধরলো| চিত্কার করতে গিয়ে বুঝলো যে তার মুখ বাঁধা, তার আর্তনাদ গলার ভিতরেই গুঙিয়ে পাক খেতে লাগলো| বোবা গলায় গোঙাতে গোঙাতে হাত-পায়ে ঝাঁক দিতে দিতে সে বন্ধন মুক্ত হতে চাইলো| আর তার সাথে সাথেই সে আবিষ্কার করলো যে তার মাথার ভিতরের ঝিঁ-ঝিঁ শব্দটা এবার বন্ধ হয়ে গেছে| খানিক নিস্ফল চেষ্টার পরে এবার সে শান্ত হলো| শারীরিক মেহনতের ফলে তার ঝিম ধরা ভা...